fbpx

ফেরেঙ্ক পুস্কাসঃ একজন জাদুকর

ferenc-puskas
কে এই পুস্কাস?
 
ফেরেংক পুস্কাস ৫ ফুট ৭ ইঞ্চির গাট্টা গোট্টা সাইজের লোকটিকে দেখে প্রথম দর্শনে আপনি তাকে না চিনলে কখনো ফুটবলার হিসেবে ভাববেন না। বিশাল বপুর পুস্কাসকে চিনতে ভুল করেছিল সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক বিলি রাইটও।
 
১৯৫৩ সালে ওয়েম্বলিতে মুখোমুখি সে সময়ের দুই দুর্দান্ত দল ইংল্যান্ড ও হাঙ্গেরী। ১৯৪৯ সালে রিপাবলিক আয়ারল্যান্ডের কাছে সর্বশেষ হারা ইংল্যান্ড ততদিনে হয়ে উঠেছিল অজেয় অন্যদিকে হাঙ্গেরীও অপরাজিত ছিল ১৯৫০ সাল থেকে। মিডিয়া ম্যাচটিকে আখ্যা দিয়েছিল ম্যাচ অফ দ্যা সেঞ্চুরিতে। ম্যাচের আগে ইংলিশ কাপ্তান বিলি পুস্কাসকে দেখিয়ে সতীর্থদের বলে, “”Look at that little fat chap. We’ll murder this lot.”” কিন্তু প্রায় ১ লক্ষ ৫ হাজার দর্শকের সামনে ইংলিশ টিমকে আক্ষরিক অর্থে খুন করলো সেই মোটা ছোকরাই। ৬-৩ গোলে হারিয়ে ইংলিশ সাম্রাজ্যে আঘাত করলো দুর্দান্ত হাঙ্গেরী আর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলো পেট মোটা ছোট খাটো ধরণের ফেরেংক পুস্কাস। শুধু গোল করে বা করিয়ে না দলকে দিয়ে খেলালেন ভিনগ্রহের খেলা।
 
 
 
পুস্কাসকে সতীর্থ Jeno Buzansky এভাবে বিশ্লেষণ করেছেন  “If a good player has the ball, he should have the vision to spot three options.Puskas always saw at least five.”
 
 
এমনই ক্ষুরধার ফুটবল মস্তিষ্ক ছিল তার। ইউরোপে তার মতো অস্বাভাবিক ধারাবাহিক কোন প্লেয়ার কখনো দেখেছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে । ভয়ংকর গতি,ক্ষুরধার মস্তিষ্ক,গোলার মতো শট,একুরেসি,ড্রিবলিং কি ছিল না তার মাঝে। অনেকের কাছে বাম পায়ের সর্বকালের সেরা প্লেয়ার পুস্কাসই। তার বাম পা কেমন ছিল তা আরেক সতীর্থ ডন দ্যা ডি স্তেফানোর কথায় বুঝতে পারবেন,
 
 
 
সে (পুস্কাস) বাম পায়ে এত দারুণভাবে বল কন্ট্রোল করতে পারে যেটা আমি হাত দিয়েও পারবো না।
 
ভাবা যায়!
 
তৎকালীন সময়ে একটা কথা প্রচলিত ছিল যে ডিবক্সে যেখানে বল থাকে সেখানেই নাকি মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে আবির্ভূত হতেন পুস্কাস। তার একুরেসি নাকি এমনই ছিল ৩০-৪০ মিটার থেকেও ধুপধাপ গোল করে বসতেন তিনি। যেমন স্কটিশ ডিফেন্ডার উইলি হেন্ডারসনের ভাষায় পুস্কাস
 
 
It was like chasing a ghost
 

দ্য গ্যালোপিং মেজর এবং ম্যাজিক্যাল মাইটি ম্যাজিয়ার্স

 
১৯২৭ সালের ২ এপ্রিল হাঙ্গেরীর রাজধানী বুদাপেস্টে ফেরেংক পুস্কাস সিনিয়র ও মারগিট বিরোর ঘর আলোকিত করে জন্ম হয় পুস্কাসের। বাবা পুস্কাস সিনিয়র ছিলেন কিসপেস্ট ক্লাবের প্লেয়ার এবং কোচ। বাবাকে দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছিল জুনিয়র পুস্কাস। সারদিন ফুটবলে আসক্ত ছিলেন জুনিয়র পুস্কাস। তাই মাত্র ১২ বছর বয়সেই ছেলেকে দিয়ে কিসপেস্ট ক্লাবে আবেদন করে বসেন সিনিয়র পুস্কাস।
 
কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়সের জন্য তখন তাকে রিজেক্ট করা হয়। কিন্তু প্রতিভাকে কে চাপা দিতে পারে? কিসপিস্ট এর জুনিয়র দলেই না শুধু ১৬ বছর বয়সেই সিনিয়র দলেই অভিষেক হয় তার। ১৯৪৯ সালে কিসপিস্ট ক্লাব Hungarian Ministry of Defence এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। ক্লাব নতুন নাম পায় হনভেড আর ক্লাবের প্লেয়াররা পায় আর্মির র্যাংক। পুস্কাস সেখানে মেজর পদ পায়। সেখান থেকে তাকে ডাকা হয় গ্যালোপিং মেজর বলে। স্থূল আর দ্রুতগতি সম্পন্ন বলে সমর্থকরা ভালোবেসে এনামেই ডাকা শুর করে পুস্কাসকে।
 
মাত্র ২০ বছর বয়সেই জাতীয় দলে অভিষেক হয় পুস্কাসের। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই গোল করে তার যাত্রা শুরু। এরপরে যা হয় সব ইতিহাস। সিবর,কোভাচিচ,জোসেফ এবং Nándor Hidegkuti দের নিয়ে গড়ে তুলেন এমন এক টিম যারা ফুটবলে নিয়ে এলো নতুন দর্শন। ১৯৪৯-৫৪ সাল পর্যন্ত হাঙ্গেরী থাকলো অপরাজিত। তৎকালিন ইউরোপিয়ান ফুটবল কমিটি তার অদম্য হাঙ্গেরীকে মাইটি ম্যাজিয়ার্স নামে ভূষিত করে। এই অপরাজিত ৩২ ম্যাচের মধ্যে অলিম্পিক আর সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ জিতে নেয় মাইটি ম্যাজিয়ার্স । অলিম্পিকের ফাইনালের ওপেনিং গোল সহ ৪ টি গোল করে পুস্কাস আর সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ জয়ে ১০ গোল ছিল তার। উল্লেখ্য মাইটি ম্যাজিয়ার্সের অধিনায়কও সে ছিল।
 
১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপের শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত এই দুর্দান্ত হাঙ্গেরীর। কোরিয়াকে ৯-০ আর ওয়েস্ট জার্মানীকে ৮-৩ বিধ্বস্ত করে তার দল। এই দুই ম্যাচেই তিন গোল আর ২ অ্যাসিস্ট ছিল তার। জার্মানীর সাথে ম্যাচেই ভয়াবহ ইনজুরির শিকার হলেন মেজর। তার অনুপস্থিতেই দল ফাইনালে যায়। মুখোমুখি আবার ওয়েস্ট জার্মানীর। ইনিজুরি নিয়েই খেলতে নেমেই শুরুতেই গোল করলেন। দলও উজ্জীবিত হয়ে আরও এক গোল করে বসলো। ৮ মিনিটেই দুই গোলে এগিয়ে যাওয়া হাঙ্গেরীর জয়কে তখন সময়ের অপেক্ষা হিসেবে ধরেছিল সবাই।
 
কিন্তু ঈশ্বর ভিন্ন কিছু চেয়েছিলেন। সর্বজয়ী দলের অপূর্ণতা হিসেবে রাখলেন বিশ্বকাপ। নাহলে কেন যে দলকে ৮-৩ গোলে বিধ্বস্ত করলো গ্রুপ পর্বে সেই দলের বিপক্ষে আর গোল তো করতে পারলোই না উলটো ৩ গোল খেয়ে বসলো,কেনই বা শেষ বাঁশির ২ মিনিট আগে করা পুস্কাসের গোলকে অফসাইড ধরবে রেফারী যেটা নাকি পরিস্কার অনসাইড ছিল!!! ম্যাচ অফ দ্যা সেঞ্চুরি জয়ী প্লেয়ারই সাক্ষী হলো আপসেট অফ দ্যা সঞ্চুরির।
 
বিশ্বকাপ হারলেও কোটি মানুষের চ্যাম্পিয়ন ওই মাইটি ম্যাজিয়ার্স আর দ্য গ্যালোপিং মেজর। ফুটবলকে নতুন পথ দেখানো এই মাইটি ম্যাজিয়ার্সেই অনুপ্রাণিত হয়েই নাকি ক্রুয়েফ পরে টোটাল ফুটবল নিয়ে আসেন।
 

ক্যারিয়ার জটিলতা এবং অল হোয়াইটসে আগমন

 
কমিউনিস্টদের বিপক্ষে আওয়াজ তুলে দেশ ছেড়েছেন । এর মধ্যে হাঙ্গেরিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের আদেশ অমান্য করে স্পেন ও পশ্চিম ইউরোপে বুদাপেস্ট হনভেডকে নিয়ে ম্যাচ খেলেছেন। ফলে ২ বছরের জন্য তাকে সাসপেন্ড করে উয়েফা। সাসপেনশন শেষ হল যখন, বয়স ৩১।
 
তার ইচ্ছে ছিল ইতালীতে ক্যারিয়ার শুরু করার। কিন্তু যে ইতালীর জায়ান্টরা তাকে কিছুদিন আগেও পেতে মরিয়া ছিল তারাই তার ওজন এবং বয়সের জন্য তাকে রিজেক্ট করলো। এরপরে সে ইংল্যান্ডে যেতে চাইলো। Munich Air Disaster এর পর দল পূনর্গঠনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও তাকে পেতে চাইলো। কিন্তু এখানে বাধ সাধে এফএ রুলসের বিদেশী প্লেয়ারদের জন্য আরোপিত নিয়ম এবং পুস্কাসের ইংলিশে দূর্বলতা।
 
ঠিক এর কিছুদিন পরেই ইউরোপিয়ান জায়ান্ট মাদ্রিদ তাকে 11,361.96€ তে সাইন করায়। সে সময় টানা ৩ বার ইউরোপিয়ান কাপ ( বর্তমান চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ) জয়ী দল তার মতো বয়স্ক আর স্থূলাকার প্লেয়ারকে দলে নেয়ায় মিডিয়া আর বিশ্ব হাসাহাসি শুরু করলো। কিন্তু তিনি আস্থার প্রতিদান দেয়ার জন্য প্রস্তুত হতে থাকলেন।
 
Puskas-real-madrid
রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ফেরেঙ্ক পুস্কাস । ছবিঃ commons.wikimedia.org
 
সিজন শুরুর আগেই ১৮ কেজি ওজন কমালেন। গেন্তো স্তেফানোকে সাথে নিয়ে বিশ্বজয়ের নেশায় মজলেন ওই ৩১ বছর বয়সেই। প্রথম সিজনেই ৪ হ্যাট্রিক, দলকে জিতালেন আরেকটি ইউরোপিয়ান কাপ। যেন তাণ্ডব নৃত্য করে সব ধ্বংস করে দিবেন,যেন তার বিরুদ্ধে ওঠা সকল সমালোচনার জবাব দিবেন গোল করে। তার খেলা প্রথম ৬ সিজনে ২০ বা ততোধিক গোল করেন লীগায়।
 
৬০-৬৫ টানা ৫ লিগ জয়ের সময় ৬০-৬৪ সালে টানা ৪ বার লিগা টপ স্কোরার পিচিচি ট্রফি জিতেন। এর মধ্যে আছে বার্সার সাথে এক সিজনে হোম এন্ড অ্যাওয়ে ম্যাচে হ্যাট্রিক যা আজও অক্ষুন্ন রেকর্ড। বাঁ পায়ে গোলারমতো শট নিতে পারতেন বলে অল্পদিনেরমধ্যেই রিয়াল সমর্থকদের কাছে তাঁর পরিচিতি হয়ে গেল ‘দ্য বুমিং ক্যানন’ হিসেবে।’
 
৬ মৌসুমে ১৬০ ম্যাচে ১৫৬ গোল তার লিগে সব মিলিয়ে ২৪০ ম্যাচে ২৬০ গোল ( উইকির হিসেবে ১৮০ ম্যাচে ১৫৬) ।
 
স্তেফানো গেন্তোদের সাথে ২ টি ইউরোপিয়ান ট্রফির পরে তরুণ ইয়ে ইয়ে মাদ্রিদের সাথে জিতেন ১ টি ইউরোপিয়ান কাপ,৩৯ টি ইউরোপিয়ান ট্রফি ম্যাচে ৪ হ্যাট্রিক সহ গোল ৩৫ টি,রয়েছে ২ টি ফাইনালে হ্যাট্রিক যা আজও রেকর্ড। সব মিলিয়ে ৩ টি ইউরোপিয়ান কাপ ৫ টি লিগা আর ১ টি স্প্যানিশ কাপ জিতেন করেন ৭ টি হ্যাট্রিক!!!!
আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি এসবই করেছেন ৩১-৩৯ বছর বয়সের মধ্যে এক পেট মোটা সারাবিশ্বের কাছে বাতিল হয়ে বেঁটে খাটো ভদ্রলোক, যে বয়সে নাকি সাধারণত প্লেয়াররা বুট জোড়া তুলে রাখতে চায়।
 

ম্যানেজার পুস্কাস

 
অবসরের পরে কোচিং পেশাকে বেছে নেন পুস্কাস। তিনি আফ্রিকা নর্থ এবং সাউথ আমেরিকা,এশিয়া এবং ইউরোপে কোচিং করিয়েছেন বিভিন্ন দলকে। বড় অর্জন বলতে গ্রীক ক্লাব Panathinaikos কে ১৯৭১ সালে ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনালে নিয়ে যান যা গ্রীক ইতিহাসের একমাত্র ক্লাব এখনো। জাতীয় দলকে মাত্র ৪ ম্যাচ কোচিং করিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে।
 

সর্বকালের সেরা প্লেয়ার নাকি মোস্ট আনলাকি প্লেয়ার

 
এতো সব অর্জনের পরও হয়তো ফুটবল ইতিহাস তাকে যথাযোগ্য সম্মান দেয়নি। স্তেফানো পেলে ম্যারাদোনা মুলারদের মতো তাকে হাইলাইট করা হয় নাই। অথচ সেই সবথেকে প্রোফাইলিক, মানে ভালো পরিসংখ্যান নিয়ে বসে আছে। এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে, পরিসংখ্যান সব সময় সত্যি বলে না । বিষয়টা আলোচনা সাপেক্ষ ব্যপার হলেও পরিসংখ্যান সব সময় মিথ্যা হয় না।
 
যে সময় ইউরোপ বা সারা পৃথিবীতেই সিজনে ৫০ গোল করার কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ, সে সময়েই হনভেডের হয়ে সিজনে ৫০ গোল করেন ৩২ ম্যাচে। ক্যারিয়ার শুরু থেকেই এমন দুর্দান্ত পুস্কাস।
 
মাদ্রিদের মতো হনভেডের হয়েও স্কটিশ লীগে ৪ বার টপ স্কোরার হয়েছেন জিতেছেন লীগ,কাপ। ৩৪১ ম্যাচে তার গোল ৩৫২ টি। শুধু ক্লাবেই আবদ্ধ ছিল না তার এমন পারফর্মেন্স তার প্রমাণ মাইটি ম্যাজিয়ার্স বা ৮৫ ম্যাচে তার রেকর্ড ৮৭ গোল ।
 
এমন পরিসংখ্যান তো বর্তমান যুগে না শুধু যুগে যুগেও দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে ১.০৪ গড়ে ৬৭০ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ৬৯৯ ( উইকির হিসেবে ৬১০ ম্যাচে ৫৯৫ গোল) এটা অতিমানবীয় না?
 
৩৯ বছর পর্যন্ত মানে ক্যারিয়ার শেষ সময় পর্যন্ত সে সর্বোচ্চ পর্যায়েই পারফর্ম করে গিয়েছে। ৩১-৩৯ বছর বয়সে তার গোল ২৪০ ম্যাচে ২৬০ টি!! ক্লাব আর ন্যাশোনাল উভয় টিমের হয়ে এমন অসাধারণ ধারাবাহিক, সৃষ্টিশীল,বিধ্বংসী পারফর্ম করা প্লেয়ার ফুটবল ইতিহাসেই বা কয়টা আছে?
 
ইতিহাসের সবথেকে আনলাকি প্লেয়ার ও যার নাকি ইতিহাসের সেরা ৫ প্লেয়ারের একজন হওয়ার কথা ছিল।।
 
বলা হয়ে থাকে হাঙ্গেরীর অতীত আর বর্তমান সম্পূর্ণই পুস্কাসময়।
 
১৭ নভেম্বর ২০০৬ সালে তিনি বুদাপেস্টের এক হাসপাতালে ৭৯ বছর বয়সে মারা যান। তার স্মরণে বুদাপেস্টের স্টেডিয়ামকে তার নামে করা হয়। এছাড়া পুস্কাস একাডেমী, পুস্কাস কাপ সব তার স্মরণে করা। ফিফা তার অবদান স্মরণীয় করে রাখতে ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বের সুন্দর গোলদাতাকে পুস্কাস এওয়ার্ড দিয়ে থাকে।
 
বিশ্বকাপ না জিতেও জিতে নিয়েছিলেন সারা বিশ্বের মন। ৩১ বছর বয়সে এসেও স্তেফানো গেন্তো রেমন্ড কোপাদের মতো প্লেয়ারদের সাথে একই ভাবে পারফর্ম করে জিতে নিয়েছিলেন মাদ্রিদিস্তাদেরও মন।
 
বয়স যে শুধুই মাত্র একটি সংখ্যা আর পরিশ্রমই যে শেষ কথা তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দ্যা বুমিং কেনন গ্যালোপিং মেজর ফেরেংক পুস্কাস।
 

অর্জনসমূহ

হনভেড

লীগ- ১৯৪৯/৫০,১৯৫০,১৯৫২,১৯৫৪,১৯৫৫
 

রিয়াল মাদ্রিদ

লীগ-১৯৬০-৬১.৬১-৬২,৬২-৬৩,৬৩-৬৪,৬৪,৬৫
স্প্যানিশ কাপঃ ১৯৬১-৬২
ইউরোপিয়ান কাপঃ ১৯৫৮-৫৯,৫৯-৬০,৬৫-৬৬
ইন্টারকন্টিনাল কাপঃ ১৯৬০
 

ইন্টারন্যাশনালঃ হাঙ্গেরী

বলকান কাপ চ্যাম্পিয়ন: ১৯৪৭
অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন: ১৯৫২
সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ: ১৯৫৩
বিশ্বকাপ রানার্স আপ : ১৯৫৪
 

ব্যক্তিগত

ব্যালন ডি’অর সিলভার বল: ১৯৬০
হাঙ্গেরীয়ান ফুটবলার অফ দ্যা ইয়ার: ১৯৫০
হাঙ্গেরী এবং স্প্যানিশ লীগে ৪ বার করে টপ স্কোরার
ওয়ার্ল্ড সকার প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার: ১৯৫৩
ওয়ার্ল্ড সকার একাদশ: ১৯৬০,৬১,৬২,৬৩
ইউরোপিয়ান প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার: ১৯৫৩
১৯৫৪ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ গোল্ডেন বল
১৯৫৪ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ অল স্টার টিম
বিংশ শতাব্দীর সেরা ইউরোপিয়ান প্লেয়ার (L’Equipe)
বিংশ শতাব্দীর সেরা হাঙ্গেরীয়ান ফুটবলার
Member of the FIFA 100
UEFA Golden Player: Hungary
Top 10 Greatest Players of the 20th century -World Soccer Magazine
Top 10 World’s Best Players of the 20th century -IFFHS
Top 10 Europe’s Best Players of the 20th century -IFFHS
ইউরোপিয়ান কাপ টপ স্কোরার (১২ গোল ৭ গোল): ১৯৬০,১৯৬৪
Golden Boot of the World in 1948: (50 goals)
Golden Foot: 2006 (as a legend)
 
 
Featured Image: FIFA.com